মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মুরাদপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

                                             মুরাদপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

বাঞ্চিত আচরণ পরিবর্তনের হয় শিক্ষা। শিক্ষার মূল্যবোধ সমৃদ্ধ সংস্কারে প্রতিরম্নপ সংস্কৃতি, প্রগতি ও সভ্যতা। সংস্কৃতি চিরমত্মন যা সমাজের শৈপিস্নক সৌন্দর্যবোধ প্রেমের অভিব্যক্তিকে জাগ্রত করে সভ্যতার উন্মেষ ঘটায়, সভ্যতা ক্রম বিকাশের ধারায় এগিয়ে যায়, সমাজ পরিবর্তন হয়, মানুষ বদলে যায়। জ্ঞান চুড়ামত্ম নয় বলেই ইতিহাসে চুড়ামত্ম নয়। জীবন গতিময় বলে ইতিহাস সৃষ্টি হয় জীবন ধারী মানুষের কর্ম ধারায়। সুষম জীবনের জন্য। উচ্চতর জীবনের জন্য, মানুষ জনপদ সৃষ্টি করে। জন পদগুলোর ইতিহাস দুরম্নহ। সীমিত ধারণায় বিশ্বাস যোগ্য।সকল জনপদ সৃষ্টির রহস্য এক এবং অভিন্ন। সমুদ্রের পাড়ে, নদীর তীরে ,জনপদের  সৃষ্টি, ব্যাবীলনীয়,মিশরীয় চৈনিক সভ্যতা, সমুদ্রের তীর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ইহার ব্যতিক্রম নয়। চট্টগ্রামের প্রায় জন পদগুলি ইহার ইহার প্রকৃষ্টতা বহন করে। চট্টগ্রাম কালে কালে বিভিন্ন জাতি ও মহামানবের ঘটনা প্রবাহে সৃষ্টি। সীতাকুন্ড ইহার ঐতিহ্যগত তীর্থ ভূমি। হিন্দু সম্প্রদায়ের নানা নিদর্শনের কেন্দ্র এই তীর্থ স্থান। সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ ধাম থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে মুরাদপুর গ্রাম।পূর্বে সীতার পাহাড়, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, মধ্যখান ঐশ্বর্য্যর সম্ভার নিয়ে চিরদৃপ্ত এই গ্রাম। প্রকৃতির অপরম্নপ নীলাময়ে আবৃত সবুজ। চট্টগ্রাম সন্দ্বীপ নোয়াখালীর গতি প্রবাহের সহিত এই গ্রামের সৃষ্টির ইতিহাস সম্পৃক্ত এবং বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেষে গড়ে উঠা।ইহা একটি প্রাচীন জনপদ বলে ঐতিহাসিকেরা মনে করেন। বিভিন্ন সংগৃহিত তথ্যথেকে এই গ্রামের উৎস, এবং বিকাশ কিছুটা অনুধাবন করা যায়। নানা পুথি, গ্রন্থাগার অভিজ্ঞমহল এবং পৌনিক ঘটনা প্রবাহ থেকে মুরাদপুরের ইতিহাস কিছুটা লিপিবদ্ধ করতে প্রয়াস করলাম।

 

নামকরণের ধারণাঃ

ঐতিহাসিক ধারণাঃ প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৫১৫ খৃীষ্টব্দে গৌড়ের সোলতান হোসেন শাহ এর পুত্র নুসরত শাহ ত্রিপুরা আক্রমন করে চট্টগ্রাম অধিকার করেন।চট্টগ্রামে তার আধিপত্য বিসত্মার লাভ করলে তার অধিনসত্ম কর্মকর্তা মুরাদকে নিজামপুর পরগনার দায়িত্বভার দেওয়া হয়। মুরাদ কোন অঞ্চলে তার রাজধানী স্থাপন করেছিল জানা যায়নি। তার নামের উপর ভিওি করে মুরাদপুর গ্রাম নাম দেওয়া হয় বলে ঐতিহাসিকগন মমত্মব্য করেন।

সন্দ্বীপের ইতিহাস থেকে পাওয়াঃ ষোলশত শতকের পরে  সন্দ্বীপের দীলেল রাজা চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব বিসত্মার করেন । নিজামপুর পরগনায় তার ক্ষমতার বহর ছিল। তার অনেক গুলি ছেলের মধ্যে মুরাদ ছিল বিছক্ষণ এবং বুদ্ধিসম্পন্ন, মুরাদ সীতাকুন্ডের দক্ষিণ পশ্চিমে বসতি স্থাপন করেন তার নামনুসারে মুরাদপুর নাম হয় বলে মনে করা হয়। সন্দ্বীপের ইতিহাস থেকে আরো জানা যায় আনুমানিক ১৭৪৩ থেকে ৫০ সালের মধ্যে আবু তোরাব, মোহাম্মদ মুরাদ,মোহাম্মদ ইব্রাহীম ,মোহাম্মদ আকবর সন্দ্বীপের জমিদারীলাভ করেন, মুরাদপুর নিজামপুর পরগনায় এসে আধিপত্য বিসত্মার করেন এবং বসতি স্থাপন করেন তার নামের উপর মুরাদপুর হয়ে থাকে  বলে উলেস্নখ করা যেতে পারে।

চট্টগ্রামের  ইতিহাস থেকে পাওয়াঃ ওয়াহিদুল আলমের চট্টগ্রাম ইতিহাস থেকে জানা যায়, সন্দ্বীপের জমিদার আবু তোরাব মীরশ্বরাই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন। তার জ্ঞাতি এবং সেনাধ্যক্ষ ছিলেন মোরাদ আহম্মদ চৌধুরী ব্রীটিশ বিরোধি  আন্দোলনের চক্রামেত্মর শিকার হন মোরাদ ,মোরাদ আবু তোরাবকে হত্যা করেন। মোরাদ আহম্মদের আধিপত্য বিসত্মৃত হয় মীরশ্বরাই এবং সীতাকুন্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে । সে নিজে মুরাদপুর গ্রামের নাম করণ করেন বলে ধারনা করা যায়। অবশ্য মিরশ্বরাই-এ ও মুরাদপুর নামকরণ করেন বলে ধারনা করা যায়। অবশ্য মিরশ্বরাই ও মুরাদপুর নামে একটি গ্রাম রয়েছে। উপরে উলেস্নখিত তথ্য সমূহ থেকে মুরাদ পুরের নাম করণের ধারণা কিছুটা  আঁচ করা যেতে পারে।

          


Share with :

Facebook Twitter